E Passport Apply Online India। ভারতে ই-পাসপোর্ট কারা আবেদন করতে পারবেন, কীভাবে আবেদন করবেন, আবেদন ফি কত?

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Rate this post

E Passport Apply Online India: ভারত সরকার সম্প্রতি ই-পাসপোর্ট চালু করেছে, যা ঐতিহ্যবাহী পাসপোর্টের একটি আধুনিক সংস্করণ যা পাসপোর্টকে আরও নিরাপদ এবং ভ্রমণ সহজ করতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এই আপডেট করা পাসপোর্টে একটি ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিন চিপ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা এনক্রিপ্ট করা ব্যক্তিগত এবং বায়োমেট্রিক ডেটা ধারণ করে। নতুন এই ব্যবস্থাটি বৈশ্বিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভ্রমণের নথি আপগ্রেড করার ভারতের প্রচেষ্টার অংশ।

ই-পাসপোর্ট কি?

একটি ই-পাসপোর্ট দেখতে সাধারণ ভারতীয় পাসপোর্টের মতো, তবে এর পিছনের কভারের ভিতরে একটি এমবেডেড ইলেকট্রনিক চিপ রয়েছে। এই চিপটি নিরাপদে আপনার ফটোগ্রাফ, আঙুলের ছাপ, মুখের স্বীকৃতি তথ্য এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিবরণ সংরক্ষণ করে। চিপটি কঠোর আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে, যার ফলে অননুমোদিত ব্যক্তিদের ডেটা অনুলিপি করা বা হস্তক্ষেপ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

এই আপগ্রেডের মূল লক্ষ্য হ’ল পরিচয় চুরি এবং পাসপোর্ট জালিয়াতি হ্রাস করা এবং বিশ্বজুড়ে ইমিগ্রেশন কাউন্টারগুলিতে মসৃণ এবং দ্রুত চেক সক্ষম করা।

আরও পড়ুন: প্রিয়জনদের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য শুভ মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা পাঠান।

কারা ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন?

নিয়মিত পাসপোর্টের (E Passport Apply Online) জন্য যোগ্য যে কোনও ভারতীয় নাগরিক এখন থেকে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারেন। এর অর্থ নতুন আবেদনকারী এবং পাসপোর্ট নবায়নকারী ব্যক্তি উভয়ই যোগ্য। বর্তমানে, এই পরিষেবাটি ভারত জুড়ে নির্বাচিত পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র (পিএসকে) এবং পোস্ট অফিস পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রগুলিতে (পিওপিএসকে) দেওয়া হচ্ছে, তাই আবেদনকারীদের আবেদন করার আগে তাদের নিকটতম কেন্দ্রটি ই-পাসপোর্ট সমর্থন করে কিনা তা পরীক্ষা করা উচিত।

E Passport Apply Online, কিভাবে আবেদন করবেন?

ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া প্রায় সাধারণ পাসপোর্টের মতোই:

অফিসিয়াল পাসপোর্ট সেবা পোর্টালে নিবন্ধন করুন বা লগ ইন করুন।

নতুন পাসপোর্ট বা পুনর্নবীকরণের জন্য অনলাইন ফর্ম পূরণ করুন।

প্রয়োজনীয় ফি প্রদান করুন এবং একটি পিএসকে/পিওপিএসকে-তে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন।

প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে আপনার অ্যাপয়েন্টমেন্ট সেন্টারে যান এবং আঙুলের ছাপ এবং ছবির মতো বায়োমেট্রিক ডেটা দিন।

একবার প্রক্রিয়া করা হলে, এম্বেডেড চিপ সহ ই-পাসপোর্টটি আপনার ঠিকানায় প্রেরণ করা হবে।

আবেদন ফি কত?

নিয়মিত ই-পাসপোর্টের জন্য ফি নিয়মিত পাসপোর্টের মতোই:

36 পৃষ্ঠার একটি পুস্তিকার জন্য 1,500 টাকা

60 পৃষ্ঠার একটি পুস্তিকার জন্য 2,000 টাকা

তৎকাল বা দ্রুত পরিষেবাগুলির অধীনে অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।

মূল সুবিধাগুলি কি কি?

ই-পাসপোর্ট ভারতীয় ভ্রমণকারীদের জন্য বেশ কয়েকটি সুবিধা নিয়ে আসে:

শক্তিশালী সুরক্ষা: চিপ এবং এনক্রিপশন পাসপোর্ট জাল বা অপব্যবহার করা কঠিন করে তোলে।

দ্রুত অভিবাসন চেক: স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমগুলি বায়োমেট্রিক ডেটা দ্রুত পড়তে পারে, প্রবেশ এবং প্রস্থান প্রক্রিয়াগুলি দ্রুত করে।

গ্লোবাল কমপ্লায়েন্স: এটি বিশ্ব মান পূরণ করে, ভারতীয় পাসপোর্টকে আরও ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য করে তোলে।

এই উৎক্ষেপণটি ভারত ভ্রমণের নথিপত্র পরিচালনা করে এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সুরক্ষা ও সুবিধা বাড়াতে একটি বড় পরিবর্তন চিহ্নিত করে।

এই ধরনের তথ্য সহজ বাংলা ভাষায় পেতে আমাদের টেলিগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হন 👇

আমাদের Facebook পেজ Follow Us
আমাদের What’s app চ্যানেল Join Us
আমাদের Twitter Follow Us
আমাদের Telegram চ্যানেলClick Here
Google নিউজে ফলো করুন Follow Us
Sudipta Sahoo

Hello Friend's, This is Sudipta Sahoo, from India. I am a Web content creator, and writer. Here my role is at Ichchekutum is to bring to you all the latest news from new scheme, loan etc. sometimes I deliver economy-related topics, it is not my hobby, it’s my interest. thank you!