Iran Attack on Saudi Airbase: সৌদি বিমান ঘাঁটিতে হামলা! ধ্বংস হওয়া মার্কিন AWACS বিমানের ছবি প্রকাশ করল ইরান

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Rate this post

Iran Attack on Saudi Airbase: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার ইরান সৌদি আরবে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই হামলায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন নজরদারি বিমান – ই‑৩ সেন্ট্রি এয়ারবোর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (AWACS)—ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রবিবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত চ্যানেল প্রেস টিভি হামলার ছবি প্রকাশ করে। সেই ছবিতে দেখা যায়, বিমানটির কেন্দ্রীয় অংশে গুরুতর ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন রয়েছে। তবে এই ঘটনা নিয়ে এখনো পর্যন্ত মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।


ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে হামলা, আহত ১০ মার্কিন সেনা

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলায় অন্তত ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র২৯টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়। এতে কমপক্ষে ১০ জন মার্কিন সেনা আহত হন বলে জানা গেছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের আক্রমণ মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সক্ষমতার ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষ করে ই‑৩ সেন্ট্রি AWACS বিমানকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। একে প্রায়ই ‘উড়ন্ত কমান্ড সেন্টার’ বলা হয়, কারণ এটি শত শত মাইল দূর থেকে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও যুদ্ধবিমানের গতিবিধি শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম।


Iran Attack on Saudi Airbase

Image Source: twitter

“যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে”

অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন বিমান বাহিনীর কর্নেল জন ‘জেভি’ ভেনেবল এই হামলাকে “অত্যন্ত গুরুতর” বলে মন্তব্য করেছেন। একটি সাময়িকীতে তাঁকে উদ্ধৃত করে বলা হয়,

“এই ধরনের ক্ষতি উপসাগরীয় অঞ্চলে কী ঘটছে তা পর্যবেক্ষণ ও পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে দুর্বল করে দিতে পারে।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, AWACS কভারেজ না থাকলে সময়মতো হুমকি শনাক্ত করা ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানো কঠিন হয়ে পড়ে, যা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।


“যুদ্ধ ব্যবস্থাপনার কেন্দ্রে রয়েছে AWACS” – Iran Attack on Saudi Airbase

মিচেল ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক ও প্রাক্তন এফ‑১৬ পাইলট হেদার পেনি বলেছেন,

“আকাশসীমার সংঘাত নিরসন, লক্ষ্য নির্ধারণ এবং সার্বিক বাহিনী সমন্বয়—সবকিছুর জন্যই এই যুদ্ধ ব্যবস্থাপক বিমানগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তার বক্তব্য অনুযায়ী, AWACS ছাড়া বহু স্তরের সামরিক সমন্বয় ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।


আইআরজিসির দাবি ও যুদ্ধের পটভূমি

প্রেস টিভির দাবি অনুযায়ী, ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী (আইআরজিসি) এই হামলায় দূরপাল্লার ও মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে এবং তার পর থেকে তেহরান একাধিকবার মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।


এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

এই ধরনের তথ্য সহজ বাংলা ভাষায় পেতে আমাদের টেলিগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হন 👇

আমাদের Facebook পেজ Follow Us
আমাদের What’s app চ্যানেল Join Us
আমাদের Twitter Follow Us
আমাদের Telegram চ্যানেলClick Here
Google নিউজে ফলো করুন Follow Us
Sudipta Sahoo

Hello Friend's, This is Sudipta Sahoo, from India. I am a Web content creator, and writer. Here my role is at Ichchekutum is to bring to you all the latest news from new scheme, loan etc. sometimes I deliver economy-related topics, it is not my hobby, it’s my interest. thank you!