Why Share Market Falling Today: মঙ্গলবার ভারতীয় শেয়ার বাজারে উল্লেখযোগ্য অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি এবং অটো সেক্টরে ভারী বিক্রি বাজারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। বিকেলের লেনদেনে বিএসই সেনসেক্স ১,৩০০ পয়েন্টেরও বেশি পড়ে গেছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বড় ধাক্কা। তীব্র পতনে বিনিয়োগকারীদের প্রায় ₹৩ লক্ষ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।
বাজার মূলধনও তীব্রভাবে হ্রাস পেয়েছে, বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলির মোট বাজার মূলধন ₹৪৬৯ লক্ষ কোটি থেকে কমে ₹৪৬৬ লক্ষ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আইটি এবং অটো স্টক বিক্রি, দুর্বল বৈশ্বিক ইঙ্গিত এবং বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা বাজারের চাপকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বিশ্বব্যাপী ইঙ্গিত এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কার্যকলাপ আসন্ন সেশনগুলিতে বাজারের দিক নির্ধারণ করবে।
Why Share Market Falling Today, আসুন জেনে নেওয়া যাক এই পতনের কারণ কী।
১. আইটি স্টকগুলিতে ভারী বিক্রি
আইটি সেক্টরের শেয়ার আজ চাপের মধ্যে রয়েছে, তীব্র পতন রেকর্ড করা হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ক্রমবর্ধমান বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ বিনিয়োগকারীদের মনোভাবের উপর প্রভাব ফেলেছে। আমেরিকান এআই কোম্পানি অ্যানথ্রপিক দাবি করেছে যে তাদের ক্লাউড কোড টুলটি লিগ্যাসি সফ্টওয়্যার সিস্টেম আপগ্রেড করার খরচ এবং জটিলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে।
এই বিবৃতির পর, আইটি কোম্পানিগুলির ব্যবসায়িক মডেলের উপর সম্ভাব্য প্রভাবের আশঙ্কা বাড়ছে। ফলস্বরূপ, ট্রেডিং দিনের শুরুতে আইটি সূচক প্রায় ৩ শতাংশ কমে যায়।
২. বিশ্ব বাজার থেকে দুর্বল সংকেত
গতকাল মার্কিন বাজার, ওয়াল স্ট্রিটে তীব্র পতন দেখা গেছে। আজ বেশিরভাগ এশিয়ান বাজারও মন্দার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ট্রাম্পের ১৫ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা এবং মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের শুল্ক বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘিরে অনিশ্চয়তা বাজারের মনোভাবকে দুর্বল করে দিয়েছে।
৩. আবারও টাকার পতন
ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রা আবারও দরপতনের সম্মুখীন হয়েছে। শুরুর দিকে রুপির দাম ৭ পয়সা কমে ৯০.৯৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের ক্রয় এটিকে আরও পতন থেকে রক্ষা করেছে।
৪. অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি একটি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে
আজ বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৭২.১৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তেলের এই ক্রমবর্ধমান দাম ভারতের মতো আমদানি-নির্ভর দেশগুলির উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে, কারণ এটি বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির দিকে পরিচালিত করতে পারে। ফলস্বরূপ, বিনিয়োগকারীরা সতর্ক হয়ে উঠছেন।
এই ধরনের তথ্য সহজ বাংলা ভাষায় পেতে আমাদের টেলিগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হন 👇
| আমাদের Facebook পেজ | Follow Us |
| আমাদের What’s app চ্যানেল | Join Us |
| আমাদের Twitter | Follow Us |
| আমাদের Telegram চ্যানেল | Click Here |
| Google নিউজে ফলো করুন | Follow Us |













